ডুমুরিয়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি)
মো: আব্দুল কাদের বিশ্বাস
স্থান: ডুমুরিয়া মেইন বাসস্ট্যান্ডের উত্তর পার্শ্বে
ডুমুরিয়া, খুলনা।
কালেরস্বাক্ষী বহনকারী ভদ্রা নদীর তীরে গড়ে উঠা ডুমুরিয়া উপজেলার একটিঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলো ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন ।কাল পরিক্রমায় আজ ডুমুরিয়া ইউনিয়নশিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারনিজস্ব স্বকীয়তা আজও সমুজ্জ্বল।
ক) নাম – ১১নং ডুমুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ।
খ) আয়তন – ১৮.৭১ (বর্গ কিঃ মিঃ)
গ) লোকসংখ্যা – ২৯২০৩ জন (প্রায়) (২০১১ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী)
ঘ) গ্রামের সংখ্যা – ০৯ টি। ঙ) মৌজার সংখ্যা – ০৯ টি।
চ) হাট/বাজার সংখ্যা -০২ টি। ছ) উপজেলা সদর থেকে যোগাযোগ মাধ্যম -ভ্যান/রিক্সা।
জ) শিক্ষার হার –৫২.৬%। (২০০১ এর শিক্ষা জরীপ অনুযায়ী)
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়- ১১টি,
উচ্চ বিদ্যালয়ঃ ৪টি,(১টি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং ৩টি বে-সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়)
মাদ্রাসা- ০৫টি।
ঝ) দায়িত্বরত চেয়ারম্যান –জনাব মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ
ঞ) গুরুত্বর্পূণ ধর্মীয় স্থান- ২টি। (সাজিয়াড়া শামছুল উলুম মাদ্রাসা এবং জোয়ার্দ্দার বাড়ি জামে মসজিদ)
ট) ঐতিহাসিক/পর্যটন স্থান – নাই।
ঠ) ইউপি ভবন স্থাপন কাল –
ড) নব গঠিত পরিষদের বিবরণ –
১) শপথ গ্রহণের তারিখ – ১২/০৫/২০১১ইং
২) প্রথম সভার তারিখ – ১২/০৫/২০১১ইং
ঢ) গ্রাম সমূহের নাম –
গোলনা হাজিডাংগা খলশী খাজুরা সাজিয়াড়া, মির্জাপুর,
আরাজি ডুমুরিয়া আরাজি সাজিয়াড়াডুমুরিয়া
ণ) ইউনিয়ন পরিষদ জনবল –
১) নির্বাচিত পরিষদ সদস্য – ১৩ জন।
২) ইউনিয়ন পরিষদ সচিব – ০১ জন।
৩) ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ প্রধান – ০১ জন।
৪) গ্রাম পুলিশ -০৯ জন।
কালেরস্বাক্ষী বহনকারী ভদ্রা নদীর তীরে গড়ে উঠা ডুমুরিয়া উপজেলার একটিঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলো ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন ।কাল পরিক্রমায় আজ ডুমুরিয়া ইউনিয়নশিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারনিজস্ব স্বকীয়তা আজও সমুজ্জ্বল।
ক) নাম – ১১নং ডুমুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ।
খ) আয়তন – ১৮.৭১ (বর্গ কিঃ মিঃ)
গ) লোকসংখ্যা – ২৯২০৩ জন (প্রায়) (২০১১ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী)
ঘ) গ্রামের সংখ্যা – ০৯ টি। ঙ) মৌজার সংখ্যা – ০৯ টি।
চ) হাট/বাজার সংখ্যা -০২ টি। ছ) উপজেলা সদর থেকে যোগাযোগ মাধ্যম -ভ্যান/রিক্সা।
জ) শিক্ষার হার –৫২.৬%। (২০০১ এর শিক্ষা জরীপ অনুযায়ী)
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়- ১১টি,
উচ্চ বিদ্যালয়ঃ ৪টি,(১টি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং ৩টি বে-সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়)
মাদ্রাসা- ০৫টি।
ঝ) দায়িত্বরত চেয়ারম্যান –জনাব মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ
ঞ) গুরুত্বর্পূণ ধর্মীয় স্থান- ২টি। (সাজিয়াড়া শামছুল উলুম মাদ্রাসা এবং জোয়ার্দ্দার বাড়ি জামে মসজিদ)
ট) ঐতিহাসিক/পর্যটন স্থান – নাই।
ঠ) ইউপি ভবন স্থাপন কাল –
ড) নব গঠিত পরিষদের বিবরণ –
১) শপথ গ্রহণের তারিখ – ১২/০৫/২০১১ইং
২) প্রথম সভার তারিখ – ১২/০৫/২০১১ইং
ঢ) গ্রাম সমূহের নাম –
গোলনা হাজিডাংগা খলশী খাজুরা সাজিয়াড়া, মির্জাপুর,
আরাজি ডুমুরিয়া আরাজি সাজিয়াড়াডুমুরিয়া
ণ) ইউনিয়ন পরিষদ জনবল –
১) নির্বাচিত পরিষদ সদস্য – ১৩ জন।
২) ইউনিয়ন পরিষদ সচিব – ০১ জন।
৩) ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ প্রধান – ০১ জন।
৪) গ্রাম পুলিশ -০৯ জন।
১১নং ডুমুরিয় ইউনিয়নের নাম করণ
নিম্নে ধারাবাহিকভাবে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত, প্রেসিডেন্ট এবং চেয়াম্যানদের নামের তালিকা দেওয়া হলো।
অক্ষয় ভট্টচার্যঃগ্রাম-সাজিয়াড়া, ডুমুরিয়া, খুলনা।
প্রথম পঞ্চায়েত। সাজিয়াড়া জমিদার পরিবারেরা প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
অরবিন্দু ভট্টাচর্যঃগ্রাম-সাজিয়াড়া, ডুমুরিয়া, খুলনা। ২য় পঞ্চায়েত।
সুরুজ্জামানঃ৩য় পঞ্চায়েত।
ঋষু খানঃগ্রাম-ডুমুরিয়া, খুলনা।
যশোর আলী (মাস্টার)ঃগ্রাম-সাজিয়াড়া, ডুমুরিয়া, খুলনা। তিনি ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিন সহকরী প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
নেছার উদ্দিনঃআরাজি সাজিয়াড়া, ডুমুরিয়া, খুলনা।
(ডুমুরিয়া চারআনি বাজার নাগরদোলায় চাদর জড়িয়ে তার মৃত্যু হয়)
হামিদার রহমান গোলদারঃগ্রাম-ডুমুরিয়া, খুলনা।
চেয়ারম্যান প্রথায় প্রথম চেয়ারম্যান। তিনি একাধিকবার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি অত্যন্ত ব্যক্তিত্ববান ও রাশভারি ব্যক্তি ছিলেন।
কামাল শেখঃগ্রাম-সাজিয়াড়া, ডুমুরিয়া, খুলনা। তিনি ১৯৭০ সালে আততায়ীর গুলিতে অত্যন্ত নির্মমভাবে নিহত হন।
শেখ আব্দুল মজিদঃগ্রাম-খলশী, ডুমুরিয়া, খুলনা।
তিনি রানৈতিক ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ছিলেন। পর পর দু্ই টার্মে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রথমত কৃষক নেতা এবং নকশাল আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতেন।
মোল্যা আবুল কাশেমঃগ্রাম-ডুমুরিয়া, খুলনা।
শেখ কবিরুল ইসলামঃগ্রাম-সাজিয়াড়া, ডুমুরিয়া, খুলনা। নিহত চেয়ারম্যান কামাল শেখের পুত্র। তিনিও নির্মমভাবে নিহত হন।
শেখ রবিউল ইসলামঃগ্রাম-সাজিয়াড়া, ডুমুরিয়া, খুলনা। নিহত চেয়ারম্যান কামাল শেখের পুত্র।
মোল্যা মফিজুল ইসলামঃগ্রাম-ডুমুরিয়া, খুলনা।
নির্বাচন ২২ শে ফেব্রুয়রী ২০০৩। প্রক্তন চেয়ারম্যান মোল্যা আবুল কাশেমের ভ্রাতা। ডুমুরিয়া থানা বি,এন,পির নেতা।
ইউনিয়ন পঞ্চায়েত, প্রেসিডেন্ট, চেয়ারম্যান ও বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সমূহঃ বৃটিশ আমলের প্রথমার্ধে জেলার প্রশাসনিক কার্যাবলীর সুবিধার্থে চৌকি পর্যায়ের নিম্নস্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রথা চালু ছিল। তখন থানা পর্যায়ের প্রশাসক ব্যবস্থাকে চৌকি বলা হতো। চৌকির কার্যাবলীর সুবিধার্থে কতিপয় গ্রাম পঞ্চায়েত থাকতো। ডুমরিয়ার গ্রাম পঞ্চায়েতদের নাম স্মৃতির অন্তরালে তলিয়ে গেছে। তা আজ উদ্ধার করা সম্ভব নয়, কেননা সেরূপ গবেষণার উপাত্ত দুষ্প্রাপ্য।
প্রথমত:১২ টি ইউনিয়ন নিয়ে ডুমুরিয়া থানা কার্যক্রম শুরু করে। তখন ১৩ নং গুটুদিয়া ইউনিয়ন ছিল রংপুর ইউনিয়নের অর্ন্তভূক্ত এবং ১৪ নং মাগুরখালী ইউনিয়ন ছিল শরাফপুর ইউনিয়নের অর্ন্তভূক্ত। ইউনিয়ন সমূহের নামকরণের ক্ষেত্রে একটি বিষয় লক্ষনীয় যে, প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত যে গ্রাম থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন সেই গ্রামের নামানুসারে সেই ইউনিয়নের নামকরণ হয়েছে।
Planning and Implementation: Cabinet Division, A2I, BCC, DoICT and BASIS